ফেসবুক ও ইউটিউব জগতে বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় মূখ সালমান শুখন

আজ আমরা কথা বলব ফেসবুক ও ইউটিউব জগতের এক জনকপ্রিয় চেহারা সমন্ধে যে বতমানে একজন টপ লেভেল এক্সিকিউটিভ ম্যানেজার এবং একজন মটিভেশনাল স্পিকার হয়তোবা আমার এই এক ইঙ্গিতে আপনারা বুঝেগেছেন যে আমি কার সমন্ধে কথা বলছি।

জনপ্রিয় মটিভেশনাল স্পিকার সালমান শুখন

হ্যা আমি কথা বলছি সলাইমান শুখন সমন্ধে তিনি ১৯৮০ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারী যোশর সেনানিবাসে জন্ম গ্রহণ করেন। আমরা সবাই জানি তিনি বতমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে জকনপ্রিয় সলাইমান শুখন নামে পরিচিত, কিন্তু বাস্তবে তার পিতা মাতার দেওয়া নাম হল খন্দকার মোহাম্মাদ সলাইমান শুখন।

তিনি তার পরিবারের তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে মেঝো ছেলে। জালালাবাদ সেনা নিবাস উচ্চবিদ্যালয় থেকে তিনি বাল্যকালের পড়ালেখারার যাত্রা শুরু করেন। তারপর প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পর ১৯৯৫ সালে মুসলিম মডান একাডেমী থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা ও ১৯৯৭ সালে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা পাস করেন।

সালমান শুখন

সতারপর তিনি ২০০০ সালে বাংলাদেশ নেভেল একাডেমী তে যোগ দেয় এরপর ২০০৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে IBA পাস করার পর সে তার পড়ালেখা শেষ করে এবং বাল্যকাল থেকে দৃড বিশ্বাস ছিল যে ঢাকাতে স্থাপিত হবে এবং ঢাকাতে স্থাপিত হওয়ার জন্য সে চাকরি বাকরি খোঁজা শুরু করে দেয়।

WHERE THERE IS WILL THERE IS A WAY

একজন মহান কবি বলে গিয়েছেন যে WHERE THERE IS WILL THERE IS A WAY সলাইমান শুখন হল সেই বেক্তির মুল উধারন । এই কথা বলার কারণ হচ্ছে সে ২০০৫ সালের মে মাসে তিনি সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি ব্রিটিশ আমেরিকান তামাক কোম্পানি তে যোগ দান করেন।

ভারতবর্ষের সবথেকে বেশি ভয়ানক ভৌতিক এলাকার রহস্য

সেই কোম্পানির সে হেড ওফ মার্কেটিং পথ পায়। তারপর সেখানে তিনি টানা তিন বছর চাকরি করার পর ২০০৮ সালে বাংলালিং এ যোগ দান দেয় কিন্তু ভাগ্য কর্মে সে বাংলালিংকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজারের পথ পায়। যা তার পছন্দ না হলেও সে তার ড্রিড বিশ্বাস দিয়ে তানা ১ বছর চাকরি করে।

বাংলালিংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার

সেখানে বিগত ১ বছর কাজ দেখার পর বাংলালিং তাকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজারের থেকে ম্যানেজারের ওফ মার্কেটিং এ ভসিত করে তারপর তানা ৭ বছর বাংলালিং এর সাথে কাজ করার পর সে এলিভ টেকনোলজি মার্কেটিং পদে যোগ দান দেয় এবং সেখানেও সে ২ বছর চাকরি করার পর তার চাকরি পরিবর্তন করে চলে আসে আমরা নেটওয়ার্ক লিমিটেড এ এবং বতমানেও সে ও ঐ একি প্রতিষ্ঠান এ চাকরি করছে।

ব্র্যাক হল পৃথিবীর বৃহতম বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফজলে হাসান আবেদ

সলাইমান সুখনের স্ত্রীর নাম সাহেরা বেগম তিনি একজন গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মক্তা। সলাইমান সুখন ও সাহেরা বেগম এর একটি মেয়ে আছে যে বতমানে স্ট্যান্ডার্ড ১ এ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল এ পরে।

একটা নেভেল কমান্ডার থেকে একটা টপ লেভেল মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানি এক্সিকিউটি হওয়া অনেক টাপকাজ। তার জীবন কাহিনী দেখে আমরা একটাই কথা বলতে পারি যে ”EVERYTHING IN YOU LIFE CANNOT BE GIVEN BY ANYONE ELSE BUT YOUR SELF”

Leave a Reply

Your email address will not be published.