ব্র্যাক হল পৃথিবীর বৃহতম বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফজলে হাসান আবেদ

ব্র্যাক অথবা বিল্ডিং রেসোর্স অ্যাড্রেস কমিউনিটি আমি আপনি কম বেশি অধিকাংশ মানুষী এই প্রতিষ্ঠান সমন্ধে জেনে থাকব এটি হল পৃথিবীর বৃহতম বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। আমি জানি এখন অনেকেই আমাকে কমেন্ট সেকশনে বলবেন যে, মাইক্রোসফট অ্যালফাবেট এপপেল এগুলো পৃথিবীর বৃহতম বেসরকারি কোম্পানি হওয়ার কথা ব্র্যাক কি ভাবে হতে পারে।

ব্র্যাক হল পৃথিবীর বৃহতম বেসরকারি প্রতিষ্ঠান

আমি সেই কিউরিয়াস মাইন্ট আলা মানুষদের বলতে চাচ্ছি যে ওই কোম্পানি গুলার রেভিনিউ কালেকশন এর দিক থেকে ব্র্যাক এর চেয়ে বড়। তাছাড়া ব্র্যাক পৃথিবীর বৃহতম বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। ব্র্যাক প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাটা করেছেন, সার ফজলে হাসান আবেদ।

তো চলুন তার সমন্ধে আমরা শুরু থেকে জানার চেষ্টা করি। তার জন্ম হয় ২৭ এপ্রিল ১৯৩৬ সালে। বানিয়াচং বেঙ্গল প্রেসিদেনছি ব্রিটিশ ইন্ডিয়াতে যেটি বতমানে বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। তার পিতার নাম সিদ্দিক হাসান এবং তার মাতার নাম সায়েদা সাফিয়া খাতুন।

ব্র্যাক

সে তার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা পাস করে পাবনা জেলা স্কুল থেকে। তারপর সে তার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাস করে ঢাকা কলেজ থেকে। তারপর ১৯৫৪ সালে তার বাকি পড়াশুনা শেষ করার জন্য সে পর্ব পাকিস্তান সেরে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো চলে যায়।

ইউনিভার্সিটি অফ গ্লাসগো ভর্তি

সেখানে সে ইউনিভার্সিটি অফ গ্লাসগো ভর্তি হয়। তারপর সে চিন্তা করে নেভেল নৌ স্থাপত্যকারির উপর পড়াশুনা করার। তাই তার চিন্তাকে বাস্তবে রূপান্তর করার জন্য সে ১৯৬২ সালে ব্যবস্থাপনা হিসাবরক্ষক চার্টার্ড ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়। তারপর সেখান থেকে পড়াশুনা শেষ করে সে আবার পূর্ব পাকিস্তানে চলে এসে সেল অইল কোম্পানিতে সে হেড অফ ফিনাঞ্চ পদে যোগ দান দেয়।

ইন্টারনেটের অন্ধকার জগৎ ডার্ক ওয়েব ও ডিপ ওয়েব

তার কিছু দিনপর ১৯৭০ সালে বাংলাদেশে দক্ষিণ অঞ্চলে একটি ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় আসে। যার কারণে তিন লক্ষ্য মানুষ মারা যায়। এই খতি দেখে আবেদ ও তার কিছু সাথী মিলে একটা প্রাণ ও পূর্বাশনের ব্যবস্থা করেন । তার কিছু দিনপর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। তাই ফজলে হাসান আবেদ বাদ্য হয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে লন্ডনে চলে যায়।

তারপর ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়ে যায় তখন ফজলে হাসান আবেদ তার লন্ডনের ফ্ল্যাট বেচে দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে চলে আসে। নতুন করে নিজেকে গড়ে তোলার জন্য। তারপর সে দেশের উন্নতির জন্য একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করে যার নাম ব্র্যাক।

বাংলাদেশ রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট কমিটি

এটি গঠন করা হয় ১৯৭২ সালের সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার সাল্লা উপজেলায়। ব্র্যাক এর বতমান কোনো পুরা নাম নেই। তবে আগে এর নাম ছিল বাংলাদেশ রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট কমিটি। তারপর এর নাম দেওয়া হয় বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন এ্যাসিস্ট্যান্স কমিটি। অবশেষে এর নাম দেওয়া হয় বিল্ডিং রেসোস অ্যাক্রস কমিউনিতিস।

রহস্যজনক কিছু বিমান দুর্ঘটনা যার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়

পৃথিবীর বৃহতম বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যার মূল কাজ হচ্ছে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রকল্প বাড়ানো। এর বতমান হেডকুয়াতার বাংলাদেশের রাজধানীর ঢাকাতে অবস্থিত। ব্র্যাক এর মোট কর্মচারীর সংখ্যা হচ্ছে এক লক্ষ্য দশহাজার আটশত বিরানব্বই এবং ২০১৮ সালে টোটাল রাজস্ব হচ্ছে ছয় হাজার তেপান্ন কোটি টাকা অথবা সাতশত আশি মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং খরচ হচ্ছে চার হাজার তিনশত তেইশ কোটি টাকা অথবা পাঁচশত পঞ্চাশ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ব্র্যাক এর মোট কর্মচারীদের মধ্যে নারীদের সংখ্যা হচ্ছে ৭০% এবং পুরুষদের ৩০% এবং ব্র্যাকের কর্মক্ষম হেডকুয়াতার চোদ্দটি দেশে বতমানে অবস্থিত আছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, শ্রী লংকা, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, নেপাল, মিয়ানমার।

ব্র্যাকের কিছু সহায়ক কোম্পানি

তার পাশাপাশি ব্র্যাকের কিছু সহায়ক কোম্পানিও আছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ব্র্যাক ইউনিটিভার্সিটি, আড়ং, বিকাশ, ব্র্যাক ব্যাংক ব্র্যাক, ইন্সিটিউট অফ ইস্কিল্ল ডেভলোপমেন্ট, ব্র্যাক আইটি সার্ভিস লিমিটেড, ব্র্যাক এপল স্টক ব্রোকেরাগ লিমিটেড, ব্র্যাক এপল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, ব্র্যাক সাজান এক্সছঙ্গ লিমিটেড।

ভারতবর্ষের সবথেকে বেশি ভয়ানক ভৌতিক এলাকার রহস্য

এই সুযোগ এতগুলো মানুষকে খুলে দেওয়ার জন্য সার ফজলে হাসান আবেদ অনেক পুরষ্কার এর মাধ্যমে সম্মানিত হয়েছে। তার কিছু উল্লেখযোগ্য পুরষ্কার এর নাম হচ্ছে রামোন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার, এলেন শাওন ফেইন্সটেন পৃথিবী হাংগার পুরষ্কার, মাউরিচ পেট পুরষ্কার, ওলফ পালম পুরস্কার, দ্যা ওয়আইজ পুরষ্কার, শিক্ষার জন্য ওপেন সিকিউরিটি পুরষ্কার, এবং বিশ্ব খাদ্য পুরষ্কার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.